করোনা ভাইরাস কেন একেক দেশে একেকভাবে ছড়ালো ?

দুই মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত লোকজন । মারা গেছে এক লক্ষের উপরে মানুষজন । প্রতি আঠারো জনে একজন । পৃথিবীর কোনো জায়গা বাদ নেই এখানে । এন্টার্টিকা ছাড়া ২১৩ টি দেশ আক্রান্ত সেখানে । বলা হয় – পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা এখন ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন । মাটি থেকে আকাশে ২৪৮ মাইল উপরে এই স্টেশন পৃথিবীকে সেকেন্ডে ৩ মেইল বেগে ১৫ বার ঘুরে দিনে ।

স্পেস স্টেশন মাথার উপর কতবার ঘুরে, তার চেয়ে আরেকটি প্রশ্ন হয়তো অনেকের মাথার ভিতর আরো বেশি ঘুরে । করোনা ভাইরাস একেক দেশে একেক ধরনের কেন আক্রমণ । কোথাও শূন্য, আবার কোথাও যেন পূর্ণ ।

এশিয়ায় ভাইরাসটির উৎপত্তি । বিস্তার লাভ করলো সবচেয়ে বেশি ইউরোপ, তারপর আমেরিকা । ইউরোপের সব দেশ সমান ভাবে আক্রান্ত হয় নি । এশিয়ায় একেক দেশে একেক রকম । আমেরিকায় ধুঁকে ধুঁকে মরছে মার্কিনি মানুষজন ।

এর কয়েকটি কারণ এমন হতে পারে যে, দেশগুলোর প্রিভেন্টিভ প্রস্তুতি একেকটির ছিল একেক রকম । কিন্তু সেটা একটি মাত্রা পর্যন্ত প্রতিরোধ করতে পারে । আসল কারণটি লুকিয়ে আছে করোনা ভাইরাসটির বৈশিষ্ট্যে এবং ধরন ।

এই মুহূর্ত পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) তিনটি Strains মানুষের দেহে খুঁজে পেয়েছেন ।

Strain হলো ভাইরাসের গঠনে একটু পরিবর্তন হয়ে সেই ভাইরাসের নতুন একটি subtype হয়ে যাওয়া । অনেকটা ভাইরাসের মতো প্রায়, কিন্তু ভাইরাসের ছেলে-মেয়ে বলা যায় । বিজ্ঞানের ভাষায় Strain হলো ভাইরাসের Mutation -এর ফসল ।

জেনে রাখা ভালো যে – ভাইরাস কোনো কোষ নয়, কিন্তু ব্যাকটেরিয়া একটি কোষ । কোষ হওয়ার জন্যে যে শর্ত – সেই শর্তগুলো ভাইরাসের নেই । ভাইরাসকে বাঁচতে হয় কোষের ভিতর ঢুকে । এই জন্যে ভাইরাস কোনো জীবন্ত শরীরের বাহিরে মিনিট থেকে ঘন্টা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে কয়েকদিন পর্যন্ত বাঁচতে পারে । শুকনো পরিবেশে ভাইরাস অনেকক্ষণ বাঁচে । দেখা গেছে যে – করোনা ভাইরাসটি মেটাল সারফেস, প্লাস্টিক বা ফ্লোরে দুই-তিনদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে, কিন্তু হাতে কয়েক ঘন্টার বেশি বাঁচতে পারে না । কাপড়ে সুতোর মাঝে জল আটকে থাকে বলে গায়ের কাপড়ে সবচেয়ে কম বাঁচে । আবার জুতোর তলা প্লাস্টিক বা রাবার জাতীয় অথবা শক্ত সারফেস বলে জুতোর তলা করে ঘরের ফ্লোরে ভাইরাসটিকে নিয়ে আসা হয় । হাত ধোয়ার সাথে জুতোর তলা বাহির থেকে এসে ধুয়ে রাখতে পারলে ভালো হয় । জীবন্ত কোষের বাহিরে হেপাটাইটিস ভাইরাস সবচেয়ে বেশিদিন বেঁচে থাকে । Hepatitis A -এর ভাইরাস কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে কোষের বাহিরে ।

ভাইরাসের গঠন খুব সাধারণ । আর এই সাধারণ বলেই সহজে একটি থেকে আরেকটি কপি হতে পারে । ভাইরাসের মূল গঠন হলো – ভিতরে DNA অথবা RNA এর চারপাশ ঘিরে প্রোটিনের একটি আবরণ মাত্র । DNA বা RNA হলো একধরনের নিউক্লিক অ্যাসিড । এই এসিডের ভিতর থাকে নিউক্লিওটাইড । কয়েকটি নিউক্লিওটাইড মিলে একটি সিগন্যাল তৈরী করে, যার কাজ প্রোটিন তৈরী করা । এই এক একটি সিগন্যাল ইউনিট হলো জীন (Gene)। প্রোটিন কোষের যাবতীয় কাজের মূল উপাদান । যেমন করে যে যে প্রোটিন বের হবে, কোষ তেমন করে তেমন কাজ করবে । তাই জীন’কে বলা হয় বংশ পরম্পরার বৈশিষ্ট্য । DNA -এর কাজ হলো নিউক্লিওটাইড সাজিয়ে প্রোটিন তৈরির জীন বা সিগন্যাল প্রেরণ করা, RNA -এর কাজ হলো সেই সিগন্যাল বহন করে নিয়ে যাওয়া । করোনা ভাইরাসের ভিতর কেবল RNA থাকে, কোনো DNA থাকে না । ভাইরাসটির ভিতরে থাকা RNA তে প্রায় ৩০ হাজারের মতো নিউক্লিওটাইড থাকে । DNA যে সিগন্যালটি দেয়, তার একটা ছায়া কপি RNA নিজের ভিতর নিয়ে নেয় ! এই ছায়া হলো এই ৩০ হাজার নিউক্লিওটাইডের কোড, যাদের কাজ হলো ২৯ ধরনের প্রোটিন তৈরী করার নির্দেশ বহন করা । এইভাবে RNA নিজের ভিতর DNA -এর ছায়া বহন করে মেসেঞ্জারের কাজ করে । তার মানে – কোনো ভাবে RNA -এর ভিতর থাকা DNA ছায়াটির রূপ বের করতে পারলে DNA -এর সিগন্যালটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে । এই ধারণা পাওয়া মানে ভাইরাসটির জীন বা জেনেটিক কোডটি পেয়ে যাওয়া । কিছুদিন ধরে করোনা ভাইরাসের টেস্ট PCR (Polymerase chain reaction) মেথডের নাম শুনছেন অনেকেই । এই PCR পদ্ধতিতে Reverse Transcription নামক একটি প্রসেজে RNA থেকে DNA -এর ছায়া রূপটি বের করে আনা হয় । বের করে আনা এই ছায়া DNA -কে বলে complimentary DNA । Reverse Transcription পদ্ধতিতে Reverse Transcriptase নামের একটি এনজাইম ব্যবহার করে উদ্ধার কাজটি করা হয় । এইজন্যে করোনা ভাইরাসের সবচেয়ে সঠিক টেস্টকে বলা হয় RT-PCR টেস্ট ।

করোনা ভাইরাসের RNA একা একা কিছুই করতে পারে না । সে শুধু DNA এর ছায়া নিয়ে ঘুরে বেড়ায় । তাই করোনা ভাইরাস কপি হতে হলে কোষের ভিতর ঢুকতে হয় ।

করোনা ভাইরাস শরীরে ঢোকার পর কোষের আবরণে গিয়ে বসে । ভাইরাসের দেহে স্পাইকের মতো কিছু প্রোটিন থাকে । সে প্রোটিনগুলোর আকর্ষণে কোষের ভিতর একটি এনজাইম দৌড়ে এসে কোষের আবরণের কিছু দরজা খুলে দেয় । ভাইরাসের মধ্যে থাকা RNA সেই ছিদ্র দিয়ে কোষের ভিতর ঢুকে । এই RNA ঢুকেই কোষের ভিতর একপ্রান্তে একটা পর্দা ঘেরা অংশে লুকিয়ে থেকে Ribosome নামক কোষের একটি উপাদানকে কাছে টানে । রাইবোজোমের কাজ হলো প্রোটিন তৈরী করা । রাইবোজোমটি RNA থেকে প্রোটিন তৈরির সিগন্যালটি নিয়ে প্রোটিন তৈরী করে । এভাবে করোনা ভাইরাসের প্রয়োজনীয় ২৯ ধরনের প্রোটিন তৈরী হয় । কোষ ভাবে যে – এই প্রোটিন তারই প্রোটিন । কোষ তখন হয়ে যায় ভাইরাসের প্রোটিন তৈরির কারখানা । সেই প্রোটিনগুলো এদিক-ওদিক ঘুরে পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অরিজিনাল RNA এর সাথে মিলিত হয় । যেই মাত্র প্রয়োজনীয় প্রোটিনগুলো চলে আসে RNA এর কাছে, পর্দাটি পুরোপুরি তাদেরকে ঘিরে ফেলে । তৈরী হয়ে যায় একটি নতুন করোনা ভাইরাস । কারণ, ভাইরাসের দরকার RNA, একটা আবরণ আর কিছু প্রোটিন । প্রোটিনগুলো ভাইরাসের আবরণের মধ্যে থাকে । রাইবোজোমের প্রোটিন তৈরির কাজকে কোষ নিজের প্রোটিন বানানোর কাজ মনে করে একের পর এক প্রোটিন তৈরী করতে থাকে, আর তাতে করোনা ভাইরাস আরো বাড়তে থাকে কোষের ভিতর । এক পর্যায়ে কোষ ফেটে যায় । ভাইরাসগুলো বেরিয়ে যায় কোষ থেকে । বেরিয়ে আরো অন্য কোষগুলোর ভিতর ঢুকে সেখানেও উপরের পদ্ধতিতে একই কুকীর্তি করতে থাকে । চক্রাকারে কয়েক ঘন্টায় এমন করে কয়েক মিলিয়ন ভাইরাস তৈরী হয়ে সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে ।

এবার আসি মিউটেশনের কথায় । শুরুতে বলেছিলাম, ভাইরাসটি একটি থেকে আরেকটি হওয়ার সময় কিছু পরিবর্তন হয় । এই পরিবর্তিত ভাইরাসকে বলে তার Strain । কাজটিকে বলে মিউটেশন বা পরিবর্তন । ভাইরাসের জীবন চক্রে এই মিউটেশন খুব গুরুপ্তপূর্ণ । ভাইরাস নিজেকে এভাবে কিছুদিন পর পর পরিবর্তন করেই বেঁচে থাকে ।

আমাদের শরীরে একটি কোষ থেকে যখন অবিকল আরেকটি কোষ হয়, সে কাজে Telomerase নামের একটি এনজাইমের সাহায্য লাগে । এই টেলোমারেজ কোষের অবিকল কপি ঠিক রাখে । কিন্তু করোনা ভাইরাসের কোষে এ জাতীয় কোনো এনজাইম থাকে না । ভাইরাসকে তার কপি তৈরী করতে প্রাণীর কোষে ঢুকে নতুন ভাইরাস তৈরির কোড পাঠাতে হয় । এই কোড পাঠাতে গিয়ে কিছু ভুল সিগনাল পাঠায় । দেহের কোষে ঢুকে যাওয়া ভাইরাসের RNA এর নির্দেশ মোতাবেক কোষ যখন হাজার হাজার ভাইরাস তৈরী করে, তখন ভাইরাসের RNA -এর পাঠানো ছায়া DNA -এর নিউক্লিওটাইড কোডের কিছু এদিক ওদিক হয়ে যায় । কাজটি কোনো কারণ ছাড়াই হয় । ব্যাপারটি অনেকটা গার্মেন্টসের কিছু প্রোডাক্ট থাকে ফল্টি । কোনোটার একটা বোতাম কম, কোনোটার চেইন লাগানো হয় না, কোনোটার কলারের সুতো ছেঁড়া । এরকম ভাইরাসের গঠনে রাসায়নিক উপাদানে এদিক ওদিক হয়ে নতুন এক ভাইরাসের জন্ম হয় । এই নতুন ভাইরাসটিকে বলে ভাইরাসের Strain । এই নতুন স্ট্রেইন আবার নতুন করে বাড়তে থাকে । সেই স্ট্রেইন থেকে আবারো আরো কিছু পরিবর্তন হয়ে ভিন্ন রকম ভাইরাস হয়ে যেতে পারে । তার মানে ভাইরাস অনেকবার মিউটেড হতে পারে, অনেকগুলো স্ট্রেইন তৈরী হতে পারে তাতে । এই জন্যে প্রতিবছর ফ্লু ভ্যাকসিনের পরিবর্তন হয় । আগের বছর ভাইরাসটির কোন স্ট্রেইন বেশি ছিল পপুলেশন, সেই স্ট্রেইনকে দমাতে ভ্যাকসিনের পরিবর্তন করতে হয় । এইভাবে প্রতিবছর নতুন ভ্যাকসিন নিয়ে ভাইরাস গুলোর বিভিন্ন স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরী করে শরীরকে প্রস্তুত রাখতে হয় ।

এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাস – কোভিড ১৯ -এর এ রকম তিনটি Strains বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন । দিন যত যাবে, নতুন স্ট্রেইনের আরো সন্ধান বেরিয়ে আসবে ।স্ট্রেইনগুলো মূল ভাইরাসের গঠনের প্রায় কাছাকাছি থাকে । একটু অদল বদল হয়ে যে নতুন স্ট্রেইন হয়, তা মূল ভাইরাসের চেয়ে দুর্বল হতে পারে, একই হতে পারে, আবার অধিক শক্তিশালী হয়ে আরো বেশি ক্ষতি করতে পারে ।

ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির জেনেটিসিস্ট Dr Peter Forster এবং তার দল করোনা ভাইরাসের জেনেটিক কোডের এনালাইসিস নিয়ে সবচেয়ে বড় কাজটি করছেন এই মুহূর্তে ।

তাদের খুঁজে পাওয়া তিনটি স্ট্রেইনের তিনটি নাম দেয়া হয়েছে । A, B, C ।

A : চীনের উহানে সর্ব প্রথম ভাইরাসের যে স্ট্রেনটি পাওয়া গেছে – তার নাম দেয়া হয়েছে A । এটি থেকেই মানুষের দেহে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে । বাদুড়ের দেহে থাকা করোনা ভাইরাসটির গঠন এই A স্ট্রেইনের প্রায় ৯৮% । তার মানে মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি ছিল বাদুড়ের দেহে থাকা করোনা ভাইরাসের একটি স্ট্রেইন । A টাইপের স্ট্রেইন এক দেহ থেকে আরেক দেহে ছড়াবার সময় মিউটেড হয়েছে । বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে – এই মিউটেশন দু বার হয়েছে । দুটো মিউটেশন থেকে দুটি স্ট্রেইন হয়েছিল ।

B : উহানে প্রথম ছড়িয়ে পড়া A টাইপ থেকে যে দুটো নতুন স্ট্রেইন হয়েছে, তার একটি উহানে খুব কম দেখা গিয়েছে । সেটি দেখা গিয়েছে আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়াতে সবচেয়ে বেশি । A থেকে পরিবর্তিত হয়ে উহানের অল্প কয়েকজনের শরীর আক্রান্ত করে আমেরিকাতে ছড়ানো মিউটেড ভাইরাসটিতে আরেকবার মিউটেড হয়ে নতুন যে Strain হলো, তা হলো B । মজার হলো, এই টাইপ B সবচেয়ে ছড়িয়েছে উহানে, চায়নার বাকি অংশে, জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, বাংলাদেশ এবং ভারতে ।

C : টাইপ A -এর দুবার মিউটেড হয়ে B টাইপ থেকে সরাসরি একবার মিউটেড হয়ে যে স্ট্রেইন হলো, তা হলো C । এই Strain টি ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে । ইউরোপ থেকে ভাইরাসটির C স্ট্রেইন সিঙ্গাপুর থেকে জার্মানিতে ফেব্রুয়ারিতে প্রথম ঢুকে । সিঙ্গাপুরে B এবং C দুটি স্ট্রেইন পাওয়া গেছে । জার্মানি থেকে একদিকে ইতালি, আরেকদিকে সুইজারল্যান্ড হয়ে ফ্রেঞ্চ, স্পেন এবং ইংল্যান্ডে ছড়ায় ।

বাংলাদেশে সম্ভবত সিঙ্গাপুর, মালেশিয়া এবং চায়না থেকে B স্ট্রেইন টি প্রবেশ করে । ইতালি বা ইউরোপ থেকে নয় । যদিও দেশের রাজস্বের এক তৃতীয়াংশ প্রবাসীদের রেমিটেন্সে জোগালেও বেচারা প্রবাসীদের এক রকম নাজেহাল হতে হয়েছে দেশবাসীর কাছে । নিমকহারাম জাতির নিমকহারামি চরিত্রের একটি প্রকাশ আর কি !

এই তিনটি স্ট্রেইনের গঠনে খুব বেশি পার্থক্য না হলেও তার আক্রমণ ক্ষমতার পার্থক্য কতটুকু, এ নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নয় । কিন্তু চোখ বুলালে বুঝা যায় যে – তিন ধরনের Strains তিন মহাদেশে বিস্তার করেছে । B এশিয়াতে, A আমেরিকাতে, C ইউরোপ । একেকটি স্ট্রেইন একেকটি মহাদেশে মৃত্যুর থাবা একেক ভাবে বসিয়েছে । A স্ট্রেইনে আমেরিকাতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে এবং মরছে । B স্ট্রেইনে চায়না এবং এশিয়ায় তুলনামূলক কম মানুষ আক্রান্ত এবং মারা গেছে । C স্ট্রেইন ইউরোপে ছড়িয়েছে , যা A এর চেয়ে অপেকক্ষাকৃত দুর্বল, কিন্তু B এর চেয়ে শক্তিশালী । আফ্রিকার সেম্পলটি এখানে ব্যাখ্যায় আসে নি ।

সময়ে হয়তো আরো বিস্তারিত আসবে – কেন একেকটি দেশে ভাইরাসটি একেকভাবে বিস্তার লাভ করেছে ।

লেখকঃ Dr. Opurbo Chowdhury
London, England

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Related Articles