পরীক্ষা পিছানোর ঘোষনা দেয়া একান্ত আবশ্যকঃ ডা. রাশিদা বেগম

এফ, সি, পি, এস পরীক্ষা ও মানসিক পরিস্থিতি।

দীর্ঘ একটা ছুটি নিলাম। যে সময়টা সায়েন্টিফিক পেপার লেখা, বইয়ের চ্যাপ্টার লিখার জন্য একটি উপযুক্ত সময় ছিল। কিন্তু শত ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে যে কাজটুকু সাধারনত করতে পারি তার কিয়দংশও করতে পারলাম না। কারন মানসিক অস্থিরতা।

যারা পরীক্ষার্থী তারা অনেকেই মহামারী সামলাতে ব্যস্ত। কেউ আক্রান্ত, কেউ আক্রান্ত হবার ভয়ে ভীত। পরিবার থেকে কেউ দীর্ঘদিনের জন্য বিচ্ছিন্ন, পরিবারের সুস্থতা নিয়ে চিন্তিত। কোথায় কোয়ারেন্টাইনে কিংবা আইসোলেশনে থাকবে, ঢাকার বাইরে থেকে এসে কোথায় থাকবে, কি ভীষন মানসিক চাপ!!। ঘরের মধ্যে বসেই পরীক্ষাবিহীন পড়ালেখায় মন বসে না। তাহলে ওদের মন কি করে বসবে পড়ায় এবং তা রক্ষন করায়!

আমরা এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ঝানু ডাক্তার বের করতে চাই। সেই ঝানু হবার প্রস্তুতির সময় এই মহাদূর্যোগে নিশ্চয় নয়।

বিশ্বের সর্বত্র পরীক্ষা পিছিয়েছে। সেখানে আমরা এই পিক সময়ে এরকম সিদ্ধান্ত নেয়া মোটেও সমীচীন নয়।

পার্ট ওয়ান পরীক্ষার দিনে গ্রাউন্ড ফ্লোরে যে গাদাগাদি হয় তা গার্মেন্টসের ভিড়ের চেয়েও অনেক বেশী। জুলাই খুব দূরে নয় যে সোস্যাল ডিস্ট্যান্সিং এবং এভয়েড ক্রাউডিং থিওরী উঠিয়ে ফেলা যাবে।

তাই পরীক্ষা পিছানোর ঘোষনা দেয়া একান্ত আবশ্যক।

লেখাঃ ডা রাশিদা বেগম

Facebook Comments

Related Articles