তামিম ইকবালের ‘ইংলিশ সামার’!

সেই দিনটির কথা অবশ্যই মনে আছে তামিম ইকবালের। তবে সেটি যে দশ বছর আগে আজকের এই দিন, তা কি মনে আছে? সকালে ঘুম ভাঙার পর কি মনে পড়েছে, তাঁর ইংল্যান্ড জয়ের দশক পূর্তি হলো আজ!

তামিমকে ফোন করলেই জানা যেত। করতে গিয়েও তা আর করলাম না। মনে থাকলে তো মনে আছেই। আর না থাকলে অন্য কেউ তা মনে রেখেছে জেনে একটু না হয় সারপ্রাইজই পেলেন।

দশ বছর আগে এই দিনে ওল্ড ট্রাফোর্ডে তামিমের ওই সেঞ্চুরি। ছয় দিনের মধ্যে তাঁর দ্বিতীয়। লর্ডসে সিরিজের প্রথম টেস্টে উদ্ধত স্ট্রোক প্লে আর ব্যতিক্রমী উদ্‌যাপনে স্মরণীয় এক সেঞ্চুরিতে যদি ইংল্যান্ড জয়ের প্রথম অধ্যায়টা লেখা হয়ে থাকে, সেটি সুসম্পন্ন ওল্ড ট্রাফোর্ডের সেঞ্চুরিতে।

যেটিকে তামিম লর্ডসের চেয়েও এগিয়ে রাখেন। রোমান্টিক এক গল্পের মধুর সমাপ্তির কারণেই শুধু নয়, বিচারটা এখানে নির্ভেজাল ক্রিকেটীয় কষ্টিপাথরে। লর্ডসে পুল করতে গিয়ে আউট হওয়ার সময়ই জানতেন, ওল্ড ট্রাফোর্ডে তাঁর দিকে ধেয়ে আসবে বাউন্সারের পর বাউন্সারের ঢেউ। এটাও জানতেন, শুধু ক্রিকেটীয় স্কিল দিয়ে সেটি জয় করা সম্ভব হবে না। চাই চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা, চাই দুর্জয় সাহস। এটি হবে পুরুষকারের চরমতম পরীক্ষা।

ব্যাটিং করতে নামার সময়ই তাই নিজেকে বলতে থাকেন, ‘ওরা যা-ই করুক না কেন, আমি আমার জায়গা থেকে এক চুলও নড়ব না।’

ওল্ড ট্রাফোর্ডের সেঞ্চুরি তাই দৃঢ়প্রতিজ্ঞায় শাণিত এক সাহসের ডকুমেন্টারি। লর্ডসেরটা যেখানে এক আবেগের নাম। যেটির সঙ্গে জড়িয়ে আছেন তামিমের সকল ক্রিকেটীয় প্রেরণার উৎস। ক্রিকেট ভক্ত বাবা ইকবাল খানের ক্রিকেট ইতিহাস নিয়েও ভালো জানাশোনা ছিল। টেলিভিশনে বিখ্যাত সেই টেরাকোটা প্যাভিলিয়নের বিখ্যাত সেই মাঠটা দেখালেই ছোট্ট তামিমকে বলতেন, ‘এই দেখো, এটা হচ্ছে লর্ডস। যেখানে ক্রিকেটের শুরু।’ তামিমের কাছে লর্ডসের সেঞ্চুরি তাই রান-টানের সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়া অন্যরকম এক অনুভব। বাবার প্রতি ছেলের নৈবেদ্য।

প্রতিজ্ঞা পূরণের গল্পও। প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে রান আউট হয়ে ফেরার পর প্যাড খুলতে খুলতে ড্রেসিংরুমের অ্যাটেনডেন্টকে মজা করে বলেছিলেন, ‘লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম তুলতে কি সেঞ্চুরিই করতে হবে? ফিফটির জন্যও একটা বোর্ড বানাও না!’

অ্যাটেনডেন্ট হেসে বলেছেন, ‘না, হাফ সেঞ্চুরিতে হবে না। সেঞ্চুরিই করতে হবে।’
তামিম জবাব দিয়েছেন, ‘ঠিক আছে, আমি সেঞ্চুরিই করব।’

পরের দিনই তা করেছেন। ফলো অন ইনিংসে সেঞ্চুরি করার পর বিখ্যাত সেই উদ্‌যাপনের সময় অনন্তলোকে পাড়ি জমানো বাবার মুখটা ভেসে উঠেছে তামিমের চোখে। আর ওল্ড ট্রাফোর্ডে সেঞ্চুরির পর যাঁর কথা মনে পড়েছে, তিনি তো ছিলেন চোখের সামনেই। মাস তিনেক আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তামিমকে ইচ্ছামতো মারতে দেখে কেভিন পিটারসেন টিপ্পনী কেটেছিলেন, ‘এখানে তো খুব মারছ! ওল্ড ট্রাফোর্ডে আসো, মজাটা টের পাবে।’

ওল্ড ট্রাফোর্ড সম্পর্কে তামিম তখন কিছুই জানেন না। ইংল্যান্ড সফরে লর্ডসে টেস্ট আছে জানতেন, দ্বিতীয় টেস্টটা যে ওল্ড ট্রাফোর্ডে, সেটিও না। ওল্ড ট্রাফোর্ডেই যে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে দ্রুতগতির আর বাউন্সি উইকেট, সেটি জেনেছেন পরে। পিটারসেনের কথায় কৌতূহলী হয়েই। সেই ওল্ড ট্রাফোর্ডে ঠিক ১০০ বলে সেঞ্চুরি। ফিল্ডিং করতে থাকা পিটারসেন যেটির মুগ্ধ দর্শক। লর্ডস আর ওল্ড ট্রাফোর্ডের যুগল অভিজ্ঞতায় পরদিন গার্ডিয়ানের ক্রিকেট প্রতিনিধি সাবেক টেস্ট স্পিনার ভিক মার্কস তামিম সম্পর্কে লিখলেন, ‘আর্গুয়েবলি দ্য মোস্ট ক্যারিশমাটিক ব্যাটসম্যান অন দ্য প্ল্যানেট।’

তামিমের সেঞ্চুরির পরও দু-দুবার এক সেশনে ১০ উইকেট হারিয়ে তিন দিনের মধ্যেই ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্ট হেরেছে বাংলাদেশ। এর আগে লর্ডসের সেঞ্চুরিতেও তো মাখা পরাজয়ের কালিমা। তামিম ইকবালের ইংল্যান্ড জয়ের যে দাবি করছি, সেটি কি তাহলে অতিশয়োক্তি নয়?

না, নয়। ক্রিকেট দলীয় খেলা হতে পারে, কিন্তু আর সব দলীয় খেলার সঙ্গে ব্যতিক্রম হয়ে এটিতে ব্যক্তিগত জয়-পরাজয়েরও একটা অলিখিত হিসাব থাকে। সেই হিসাবে বাংলাদেশ হারলেও ঠিকই জিতেছেন তামিম।

বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের টানা দুই টেস্টে (আসলে তো টানা দুই ইনিংসে) সেটিই প্রথম। তা এটি তো শুধু বাংলাদেশের আয়নায় দেখা ছবি। এই গণ্ডি থেকে বের হয়ে বৃহত্তর ছবিটা দেখলেই পেয়ে যাবেন তামিমের ইংল্যান্ড জয়ের দাবির যৌক্তিকতা। তামিমের ওই দুই সেঞ্চুরি মে-জুনে। ক্রিকেটের সেই আদিকাল থেকেই ইংলিশ গ্রীষ্মের শুরুর ওই সময়টা ব্যাটসম্যানদের টেকনিকের চূড়ান্ত পরীক্ষা নিয়ে আসছে। সারা জীবন ইংল্যান্ডের জলহাওয়ায় বেড়ে ওঠা ইংলিশ ব্যাটসম্যানদেরও যেটির সঙ্গে মানিয়ে নিতে অনেকটা সময় লেগে যায়। বাইরের ব্যাটসম্যানদের কথা বলাই বাহুল্য। কোনো ব্যাটসম্যানকে বিচার করতে ইংল্যান্ডের মাটিতে পারফরম্যান্স তো আর এমনিতেই চিরকাল বাড়তি গুরুত্ব পেয়ে আসেনি!

একে তো এই বৈরী কন্ডিশন, সঙ্গে ডিউক বলের সুইং—এই দুইয়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের অন্য ব্যাটসম্যানদের চেয়েও কম সময় পেয়েছেন তামিম। কিছুদিন আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় কবজিতে পাওয়া চোট টেস্ট সিরিজের আগে বাংলাদেশের তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচের শেষটিতেই শুধু খেলতে দিয়েছে তাঁকে। এত সব ব্যাখ্যার আসলে প্রয়োজনই পড়ে না। তামিমের ওই দুই সেঞ্চুরির মাহাত্ম্য বোঝাতে একটা তথ্য জানিয়ে দিলেই হয়। ইংলিশ গ্রীষ্মের শুরুতে আর কোনো বিদেশি ব্যাটসম্যানের দুই টেস্টের সিরিজে দুই সেঞ্চুরির কীর্তি নেই।

তামিমকে উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটারদের মধ্যে রাখার সবচেয়ে যুক্তি হিসাবে এটির কথাই সবার আগে বলেছিলেন উইজডেন অ্যালম্যানাকের সে সময়ের সম্পাদক শিল্ড বেরি।
উইজডেনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসাবে খবরটা আমি আগেই পেয়েছিলাম। কিন্তু এত বড় খবরটা পেয়েও সেটি লিখতে পারিনি আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে তা গোপন রাখতে বলায়। বর্ষসেরা ক্রিকেটারদের নিয়ে বিশেষ স্টোরি করার প্রয়োজনে তামিমকে জানাতে হয়েছিল। তবে এই সুখবরটা বেশ কয়েক মাস গোপন রাখার যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছে তাঁকেও। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর প্রথম আলোতে ‘যে কারণে তামিম’ শিরোনামে শিল্ড বেরির বিশেষ একটা লেখা ছাপা হয়েছিল। সেটির অংশবিশেষ তুলে দিতে ইচ্ছা করছে—‘লর্ডস আর ম্যানচেস্টারে তামিম ইকবাল যা করেছেন, দশ বছর ধরে ইংল্যান্ড মৌসুমের শুরুতে মে মাসে আয়োজিত টেস্টে সফরকারী দলের আর কোনো ব্যাটসম্যান কন্ডিশনকে এভাবে জয় করতে পারেননি। এর সঙ্গে যোগ করুন রান করার ধরন—এটা ছিল সেরা ফর্মের ম্যাথু হেইডেন বা ক্রিস গেইলের মতো। তামিম যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন, ইংলিশ বোলারদের ওপর পুরো প্রভুত্ব বিস্তার করে রেখেছেন। এরপর আর কেউ ওদের ওপর এমন ছড়ি ঘোরাতে পারেনি। এমনকি অস্ট্রেলিয়াতে অ্যাশেজের তীব্র ওই লড়াইয়ের সময়ও না। প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে তামিমকে উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার নির্বাচন করাটা ছিল আনন্দের ব্যাপার। কারণ ইংল্যান্ডের বোলারদের ছাড়া বাকি সবাইকে ও আনন্দধারায় ভাসিয়েছে।’

অ্যালমানাকের ওই স্বীকৃতির আগেই পেয়েছেন আরেকটি পুরস্কার। উইজডেন ক্রিকেটার ম্যাগাজিন ২০১০ সালের বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসাবে ঘোষণা করেছে তাঁর নাম। অথচ জেনে অবাক হবেন, মাত্র পাঁচ মাস ছয় দিনেই টেস্ট ক্রিকেটার তামিমের বছরটা শেষ হয়ে গিয়েছিল। ইংল্যান্ডে ওই দুই টেস্টের সিরিজের পর বাংলাদেশ যে পরের টেস্ট খেলেছে ১৪ মাস পর!

ওই পাঁচটি মাস সম্ভবত তামিমের টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা সময় হয়ে আছে এখনো। ৭ টেস্টে ৫৯.৭৮ গড়ে ৮৩৭ রান। ১৪ ইনিংসের ৯টিতেই পঞ্চাশ ছাড়ানো স্কোর। ইংল্যান্ড সফরে টানা দুই সেঞ্চুরির আগে ভারতের বিপক্ষে মিরপুরে খেলেছেন ১৫১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। সেই সেঞ্চুরি থেকে ওল্ড ট্রাফোর্ডে সেঞ্চুরি পর্যন্ত হিসাব করলে সর্বশেষ ১০ ইনিংসে তাঁর ব্যাটিং গড় ছিল ৭৫.২। এই ১০ ইনিংসের শেষ ৭টিই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে, এর একটিতেই শুধু পঞ্চাশ করার আগে আউট হয়েছেন। ইংল্যান্ড সফরের আড়াই মাস আগে মিরপুরে তো টেস্টের প্রথম দিন লাঞ্চের আগেই সেঞ্চুরি করার বিরল কীর্তি প্রায় গড়েই ফেলেছিলেন।

তামিম ইকবালকে তখন তাই শুধু সমীহ নয়, রীতিমতো ভয় পেতে শুরু করেছেন ইংল্যান্ডের বোলাররা। খেলাটা যেন ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ নয়, ইংল্যান্ড বনাম তামিম ইকবাল। লর্ডসে ব্রেসনানের পরপর চার বলে ৪, ৪, ২ ও ৪ রান নিয়ে ৮৭ থেকে চোখের পলকে পৌঁছে যাওয়া ৯৪ বলের সেঞ্চুরি দেখার পর দ্য টেলিগ্রাফের ক্রিকেট প্রতিনিধি ডেরেক প্রিঙ্গল ম্যাচ রিপোর্টে তাই টেনে এনেছিলেন তাঁর সাবেক ইংল্যান্ড সতীর্থ গ্রাহাম গুচকে। ১৯৮৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের পর তাঁর ব্যাটিং অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে গুচের সেই অমর উক্তি, ‘এ যেন এক প্রান্ত থেকে বিশ্ব একাদশ আর অন্য প্রান্ত থেকে ইলফোর্ড (এসেক্সের শহরতলি) দ্বিতীয় একাদশের বোলিং খেলার মতো।’

এখানে ‘বিশ্ব একাদশ’ এর জায়গায় রিচার্ড হ্যাডলি পড়লেই আপনি কথাটার মর্মার্থ বুঝে যাবেন। ডেরেক প্রিঙ্গলের মনে হয়েছিল, বাংলাদেশের বিপক্ষে বোলিং করার সময় ইংল্যান্ডের বোলারদেরও নিশ্চয়ই অমন মনে হয়েছে। এক প্রান্তে বিশ্ব একাদশ (পড়ুন তামিম ইকবাল), আর অন্য প্রান্তে ইলফোর্ড দ্বিতীয় একাদশ (পড়ুন বাংলাদেশের বাকি ব্যাটসম্যানরা)।

তামিমের ইংল্যান্ড জয়ের দশক পূর্তির দিনে লেখাটা লিখতে বসে একটা প্রশ্ন অবশ্য মন থেকে তাড়াতে পারছি না। মাঝের দশ বছরে টেস্ট-ওয়ানডে মিলিয়ে তামিম ইকবাল সন্দেহাতীতভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ব্যাটসম্যান হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিজেকে। কিন্তু তাঁকে উইজডেনের অন্যতম বর্ষসেরা নির্বাচন করার সময় অ্যালম্যানাক সম্পাদক শিল্ড বেরি যে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিলেন, সেটি পূরণ হলো কই? প্রথম আলোর জন্য বিশেষ ওই লেখাটাতেই শিল্ড বেরি লিখেছিলেন, ‘আশা করি, ভবিষ্যতে তামিম চল্লিশোর্ধ্ব গড়ের খুব ভালো টেস্ট ব্যাটসম্যান থেকে পঞ্চাশোর্ধ্ব গড়ের গ্রেট টেস্ট ব্যাটসম্যানে নিজের উত্তরণ ঘটাবে।’

ওল্ড ট্রাফোর্ডে সেঞ্চুরির পর তামিমের ব্যাটিং গড় ছিল ৪১.২৩। সেটিই যে এখনো তামিমের ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ গড় হয়ে আছে, তা জেনে নিশ্চয়ই দুঃখ পান শিল্ড বেরি। চল্লিশোর্ধ্ব থেকে কোথায় পঞ্চাশোর্ধের আশা করেছিলেন, উল্টো তামিমের ব্যাটিং গড় এখন চল্লিশের নিচে (৩৮.৬৪)।

তামিম ইকবাল অবশ্য বলতে পারেন, গত কয়েক বছর তো বাংলাদেশের জন্য সব টেস্টই ছিল অ্যাওয়ে ম্যাচ। দেশের বাইরে তো পরীক্ষা দিতেই হয়, প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার জন্য দেশের উইকেটও এমন বানানো হয়েছে যে, কখনো কখনো সেটি হয়ে গেছে কঠিনতর পরীক্ষার নাম। কথাটা ঠিক। আবার এটাও তো ঠিক, অমন উইকেটেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়েছেন তামিম। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতিয়েছেন জোড়া সত্তর করে। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তিনটি জয় বললে এই দুটির সঙ্গে আসবে শততম টেস্টে শ্রীলঙ্কার মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়। সেটিতেও তো ৪৯ ও ৮২ করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ তামিম ইকবাল।

টেস্টে পঞ্চাশোর্ধ্ব গড়কে অপূরণযোগ্য স্বপ্ন বলে মেনে নিয়ে এ সবেই হয়তো সান্ত্বনা খোঁজেন তামিম ইকবাল। আক্ষেপ যদি মনে থেকেও থাকে, তা নিয়ে পরে কথা বলা যাবে। আজকের এই দিনে সেটিকে না হয় দূরেই সরিয়ে রাখি। আজ যে অন্যরকম একটা দিন।

তামিম ইকবালের ইংল্যান্ড জয়ের দশক পূর্তি উদ্‌যাপনের দিন!

Facebook Comments

Related Articles