যা ভেবেছিলাম, তার চেয়েও ভঙ্গুর দশা করপোরেশনের: মেয়র তাপস

নির্বাচনের আগে ঢাকাবাসীকে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নবনির্বাচিত মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। কিন্তু দায়িত্ব পাওয়ার পরে সিটি করপোরেশনের অভ্যন্তরীণ চিত্র দেখে তিনি উদ্বিগ্ন। তাপস বলছেন, তিনি যতটুকু ভেবেছিলেন, তার চেয়েও ভঙ্গুর দশা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের। সম্প্রতি প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক মোহাম্মদ মোস্তফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে করপোরেশনের অভ্যন্তরীণ অবস্থান, নগরবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

দায়িত্ব নিয়েই দুর্নীতির অভিযোগে কয়েকজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন। ভোটের আগে নগরবাসীকে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে মনে করছেন কি না?
শেখ ফজলে নূর তাপস: যেহেতু সিটি করপোরেশনে এর আগে আমার কাজ করার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। সংবাদমাধ্যমে বা বিভিন্ন মাধ্যমে যতটুকু জেনেছি, এটার ওপর করপোরেশন সম্পর্কে আমার একটা ধারণা ছিল। কিন্তু এখন দায়িত্ব গ্রহণ করার পরে উপলব্ধি করছি, বাইরে থেকে যতটুকু ধারণা ছিল, তার চেয়ে এখানে আরও অনেক কঠিন অবস্থা। সমস্যা আমরা অনেক কিছু জানি, তবে সেটা কতটা গভীরতর আকার ধারণ করেছে, সেটা কিন্তু বাইরে থেকে হয়তো সেভাবে উপলব্ধি হয়নি। এখানে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর উপলব্ধি করেছি যে সংকট অনেক গুণ বেশি। এখানে যে সমস্যাগুলো আছে, তা দীর্ঘদিনের। এগুলোকে জিইয়ে রাখার কারণে, সমাধান না করার কারণে প্রায় ভঙ্গুর অবস্থা। এককথায় যদি বলতে চাই, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যাপারেও আমাকে শূন্য থেকেই শুরু করতে হচ্ছে। তারপরও আমি আশাবাদী যে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করলে আমরা অচিরেই পরিবর্তন আনতে পারব। তবে করপোরেশনের অনেক কিছুই ঢেলে সাজাতে হবে।

জন্য এই মাসে আমরা কর্মপরিকল্পনা নেওয়া আরম্ভ করেছি। কারণ, এখানে ব্যাপক প্রশাসনিক সংস্কার প্রয়োজন। কারণ, দীর্ঘদিন যাঁরা এখানে কর্মরত আছেন, তাঁদের সমস্যাগুলো রয়ে গেছে। তাঁদের সমস্যার যেমন সমাধান করা হয়নি, তেমনি এখানে কোনো প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করা হয়নি। সাংগঠনিক কাঠামোগুলো খুব দুর্বল রয়েছে। এ ছাড়া জনবলের অনেক দুর্বলতা রয়েছে। যেই সংখ্যার জনবল প্রয়োজন, সেই সংখ্যার জনবল নেই। যোগ্য জনবল নেই। দক্ষ জনবল নেই। সব মিলিয়ে বলব, সমস্যা অনেক বেশি। তারপরও আমি মনে করি, এর থেকে উত্তরণ সম্ভব। এই মহামারি করোনার মধ্যেও ঝুঁকি নিয়ে আমরা করপোরেশনের প্রথম সভাটি করে ফেলেছি, যাতে আমরা দ্রুত কাজ শুরু করতে পারি। কারণ, করোনার ব্যাপারেও আমাদের কিছু কার্যক্রম হাতে নিতে হবে। ২ জুন আমরা প্রথম সভা করেছি। সেই হিসাবে ওই দিন থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো।

৯০ দিনের মধ্যে সব মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। যদিও করোনার কারণে এখন পরিস্থিতি কিছুটা ব্যতিক্রম। আপনার কী মনে হয়, এখনো একই লক্ষ্যে আপনি এগোচ্ছেন, নাকি করোনার কারণে অগ্রাধিকারে থাকা বিষয়গুলো পরিবর্তন হচ্ছে?
শেখ ফজলে নূর তাপস: নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে নির্বাচনের ইশতেহারে যে পাঁচটি রূপরেখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেটি মাথায় রেখেই কার্যক্রম আরম্ভ করেছি। অবশ্য করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সমস্যাগুলো আরও বেশি ঘনীভূত হয়েছে। এর জন্য আমাদের প্রতিকূলতা আরও অনেক বেশি বেড়ে গেল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হয়তোবা কিছু কৌশল ও কর্মপরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। আসলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অনেক কাজ। নাগরিকদের সব সেবাই কিন্তু ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওপরে বর্তায়। আইনগতভাবে দেখলে আমাদের প্রায় ২৮টি মূল কাজ রয়েছে। মূল কাজের মধ্যে আরও বিস্তারিত অনেক কাজ রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় সেভাবে ধরতে গেলে প্রায় ১০০টি কাজ হবে। সব কাজেই ধীরগতি বা সেভাবে আমরা ঢাকাবাসীকে দিতে পারিনি। ইশতেহারের পাঁচটি রূপরেখার আওতায় আমরা অগ্রাধিকার করেছি পাঁচটি খাতকে। প্রথমত স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। যেখানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে ঢাকাবাসীকে রক্ষা করতে কী কী করণীয়, সে বিষয়ে আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। দ্বিতীয় অগ্রাধিকার দিচ্ছি আমরা মশকনিধনে। কারণ, কয়েক বছর ধরে মশকনিধনের বিষয়টি নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। এরই মধ্যে মশকের সময়টাও চলে এসেছে। আমরা এখন জুন মাসে চলে এসেছি। জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রকোপটা সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে ডেঙ্গু মশার প্রকোপ। সে জন্য আমরা মশকটা গুরুত্বসহকারে দেখছি। তৃতীয়ত, আমাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। আমি নির্বাচনের সময় বলেছি। উন্নত শহরগুলোতে এভাবে কোথাও বর্জ্য ফেলে রাখতে দেখা যায় না। আমরা সেটার ব্যবস্থাপনা হাতে নিচ্ছি। চতুর্থত, আমাদের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। উন্নত দেশের শহরগুলোর যে অবস্থা, সে রকম একটা পরিস্থিতিতে আমরা কীভাবে নিয়ে যেতে পারি, সেই বিষয়ে ভাবছি। এর মধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসনের বিষয়টা আসবে এবং পঞ্চম হলো যানজট নিরসন। আপনাদের নিশ্চয়ই খেয়াল আছে, আমি আমার ইশতেহারে মহাপরিকল্পনার কথা বলেছিলাম। মহাপরিকল্পনা করব আমরা ৩০ বছর মেয়াদি। সেই মহাপরিকল্পনার কাজটা আমরা প্রাথমিকভাবে আরম্ভ করে দিয়েছি। সেখানে আমরা বিশেষজ্ঞদের মতামত নিচ্ছি। এই কাজে দেশবরেণ্য পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিরা অন্তর্ভুক্ত হবেন। মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক ছোট ছোট উন্নয়নকাজ চলবে।

সিটি করপোরেশন থেকে নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যত কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন বা নেবেন?
শেখ ফজলে নূর তাপস: এ বিষয়ে এককভাবে আমাদের কোনো উদ্যোগ বা সিদ্ধান্ত নেই। জাতীয় যে কমিটি আছে, মূলত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে যেসব নির্দেশনা প্রণয়ন করা হচ্ছে, সেগুলো আমাদের যেটুকু বাস্তবায়নের জন্য দেওয়া হচ্ছে, আমরা সেটুকু বাস্তবায়ন করছি। এরই মধ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে। সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতিত্ব করেছেন। ওই সভায় আমাদের নতুন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওই দিকনির্দেশনা অনুযায়ী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এলাকাগুলো সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল জোন করা হবে। এই বিষয়ে মন্ত্রণালয় আমাদের যে দিকনির্দেশনা দেবে, কাউন্সিলরদের সম্পৃক্ত করে তৃণমূল পর্যায়ে এটি আমরা বাস্তবায়ন করব।

করপোরেশনের পক্ষ থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য কোনো বুথের ব্যবস্থা থাকবে কি না? মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য স্যাম্পল কালেকশনের ক্ষেত্রে করপোরেশনের কোনো ভাবনা আছে কি না?
শেখ ফজলে নূর তাপস: আমরা নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চাই। ইতিমধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন মহানগর জেনারেল হাসপাতালকে করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবার আওতায় নেওয়া হয়েছে। এখানে সীমিত আকারে যে পরীক্ষা হচ্ছে, সেই পরীক্ষার সংখ্যা আমরা বাড়াতে চাই। ঢাকাবাসী যেন দিনের পরীক্ষার ফলাফল দিনেই পায়, সেই বিষয়ে আমরা গুরুত্ব দিতে চাচ্ছি। সেখানে এরই মধ্যে আমরা পাঁচটি ভেন্টিলেটরের জন্য আবেদন করেছি। আমরা চাচ্ছি, এখানে চিকিৎসা নিতে এসে কেউ যাতে ফিরে না যায়। যারা এখানে সেবা নিতে আসে, তাদের যাতে সুষ্ঠুভাবে চিকিৎসাসেবা দিতে পারি। আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছি। কারণ, এখানে লোকবল, চিকিৎসক, নার্স থেকে শুরু করে সব ধরনের চিকিৎসাসামগ্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেবে। এগুলো পেলে ঢাকাবাসীর সেবা নিশ্চিত করতে পারব।

গত বছরের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে লাখের অধিক লোক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলে। অনেকে মারা গেছে। তাদের বেশির ভাগই ঢাকার বাসিন্দা ছিল। ডেঙ্গু প্রতিরোধে এবার কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে?
শেখ ফজলে নূর তাপস: আমরা সব মশকনিধনে কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। বিশ্বব্যাপী যে বেস্ট প্র্যাকটিস রয়েছে, সেটাই আমরা অনুসরণ করছি। শুধু সন্ধ্যার সময়, মাগরিবের সময় বা মাগরিবের আগে ফগার মেশিন দিয়ে মশকনিধনের যে কার্যক্রম আছে, সেটা দিয়েই এই মশকনিধন করা সম্ভব নয়। সবকিছু মিলে আমরা বড় একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়েছি। আগে সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র এক ঘণ্টা এডিস মশার প্রজননক্ষেত্রে ওষুধ ছিটানো হতো। ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে ঢাকায় এবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা এই কাজের পরিকল্পনা আমরা করেছি এবং মাগরিবের সময় কেবল এক ঘণ্টা ফগার মেশিন দিয়ে ধোঁয়া ওড়ানো নয়, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী বেলা আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত এই চার ঘণ্টা আমরা কাজ শুরু করব। এই কাজ জুন মাসের ৭ তারিখ (আজ রোববার) থেকে পুরোদমে শুরু করব। এ ছাড়া আমাদের জলাশয় ও নর্দমা পরিষ্কার করার ব্যাপক আয়োজন নেওয়া হচ্ছে। সেগুলো পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন করে কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়, সে বিষয়ে আমরা বৃহৎ কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আমরা যেই জলাশয়গুলো রক্ষণাবেক্ষণ করব, সেখানে তেলাপিয়া মাছের চাষ করব, যাতে লার্ভা হতে না পারে। আমরা সেখানে ১৫ দিন বা এক মাস অন্তর জাল ফেলে মাছ চাষের মতো ব্যবস্থা করব। সেখানে হাঁস ছাড়ব। এমন কিছু ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড আমাদের কর্মপরিকল্পনায় আছে। সব মিলিয়ে আমি মনে করি, এটা একটা অভিনব কার্যক্রম হবে। সব কার্যক্রম যদি আমরা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে ইনশা আল্লাহ মশা নিয়ে আমাদের আর দুশ্চিন্তা হবে না।

মশকনিধনে আপনি যে ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ডের কথা বললেন, এটা কি সুনির্দিষ্ট কোনো সময় ধরে হবে, নাকি বছরব্যাপী হবে?
শেখ ফজলে নূর তাপস: এই কার্যক্রম অবশ্যই বছরব্যাপী হবে। কিন্তু আমরা নতুন উদ্যমে আরম্ভ করছি ৭ জুন থেকে। এই কার্যক্রম সুন্দরভাবে শেষ করতে আমরা সূচিও সাজিয়েছি। যেমন জুন মাসটা আমরা ব্যাপকভাবে এডাল্টিসাইটিং এবং লার্ভিসাইটিং করে যাব। এরপরেও এটা চলমান থাকবে। সারা দিনে ৮ ঘণ্টার কার্যক্রম চলবে। এরপর ১৪ জুনের পর থেকে জলাশয় ও নর্দমাগুলো পরিষ্কার আরম্ভ হয়ে যাবে। জুলাই মাসে কিছু কার্যক্রম রেখেছি। আগস্ট মাসে আরও নতুন কার্যক্রম সংযুক্ত করব। এভাবে আমাদের পর্যায়ক্রমে পূর্ণ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব। যখন পুরোদমে এই কাজগুলো বাস্তবায়ন হয়ে যাবে, তখন এটা চলমান থাকবে।

করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা যাওয়ার পর থেকে হাতে গোনা কয়েকজন বাদে বেশির ভাগ কাউন্সিলরকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। তাঁদের মাঠে সক্রিয় করার বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না?
শেখ ফজলে নূর তাপস: ১৬ মে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি। ১৭ তারিখ থেকে কার্যালয়ে আসা শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত কার্যালয়ে আসা কোনো দিন বাদ পড়েনি। ইতিমধ্যে আমরা বোর্ড সভা করেছি, যাতে কাউন্সিলররা দিকনির্দেশনা পান। তাঁদের যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে পুরোদমে তাঁরা মাঠে থাকবেন। যেহেতু আগে তাঁদের দায়িত্ব ছিল না, এ জন্য তাঁরা মাঠে থাকতে পারেননি। এখন তাঁরা মাঠে থাকবেন। আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে না নেওয়া সত্ত্বেও আমাদের অনেক কাউন্সিলর নিজ উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়েছেন। আমাদের একজন কাউন্সিলর ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এখন থেকে কাউন্সিলরদের নিয়ে প্রতি মাসে একটি সভা করার সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। ঢাকাবাসীর দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছি, এগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে আশা করছি নগরবাসী ৯০ দিনের আগেই পরিবর্তনের ছোঁয়াগুলো উপলব্ধি করতে পারবেন।

Facebook Comments

Related Articles