ডা. ফেরদৌস যেন ‘ডিরেক্টর অফ হেলথ্’ হতে না পারেন এজন্যই ষড়যন্ত্র!

আমেরিকায় করোনাকালে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন বাঙালী চিকিৎসক ডা. ফেরদৌস। এজন্য তিনি সরকারের শীর্ষ মহলের নজরে আসেন। সম্প্রতি আমেরিকা থেকে দেশে আসা ডাক্তার ফেরদৌস প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ‘ডিরেক্টর অফ হেলথ্’ পদের একজন প্রার্থী এবং সেজন্য তিনি সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন বলে দাবী করছেন তার ঘনিষ্ঠজনেরা। তাদের বাইরেও কয়েকজন এ দাবী করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। নিচে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের পোস্ট সরাসরি দেওয়া হল।

‘ডাঃ ফেরদৌস খন্দকারকে নিয়ে এতো টানাহেচড়ার কারণ তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ‘ডিরেক্টর অফ হেলথ্’‌ পদের জন্য একজন প্রার্থী। তিনি ইতিমধ্যে ওই পদে ইন্টারভিউও প্রদান করেছেন। তাকে এখন বিএনপি-জামায়াত, খুনী মোস্তাকের ভাগ্নে, খুনী রশিদের খালাতো ভাই বানাতে পারলে ওই পদের জন্য যারা মরিয়া হয়ে উঠেছেন, তাদের দুশ্চিন্তা অনেকখানি কেটে যায়।
প্রকৃত অর্থেই তিনি একজন প্রগতিশীল মানুষ। তিনি যাদের সাথে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ছাত্রলীগ করেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, গত দু’দিন তাদের নানা রকম লেখা স্ট্যাডি করে এটা আমি শতভাগ ক্লিয়ার। তাছাড়া তার নিজের অনেক ভিডিও আমি দেখেছি, সেখানেও তাকে আমার কাছে একজন আপাদমস্তক প্রগতিশীল মানুষ মনে হয়েছে।’
আমি এই ডাঃ ফেরদৌসকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ডিরেক্টর অফ হেলথ্‌ পদে দেখতে চাই।

লিখেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক কাজী জাহিদুর রহমান

‘ফেরদৌস নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ করার সময় তারে জামাত শিবির বানানো হইছিলো। সেটার প্রতিবাদ করছি। কারণ সে ছাত্রলীগ করছে, ক্যাম্পাসে অমি তার স্বাক্ষী। এরপর যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে ডিরেকটর অব হেলথ পদে তারে বিবেচনা করা হইলো, ডিজিএফআই এবং এনএসআই তার সাক্ষাতকার নিলো, তারপরও অনেকে জিজ্ঞাস করছে তার রাজনৈতিক পক্ষপাত নিয়া। আমি যা দেখছি তাই বলছি। সে মানুষের জন্য কাজ করতেছে সেটাই দেখছি, আর তাই তারে প্রমোট করছি। ফেরদৌস বাংলাদেশে কিছুক্ষণ পর পৌছবে। এই প্রশ্নের উত্তর তার মুখ থেকেই শুনবো। যদি এই দাবী সত্যি হয় আমিও তীব্র লজ্জিত হয়ে আপনাদের সবার কাছে করজোরে ক্ষমা চাইবো আমার অজ্ঞতার জন্য…’

লিখেছেন অমি রহমান পিয়াল, বিশিষ্ট অলনাইল এক্টিভিস্ট।

Facebook Comments

Related Articles