এই বাজেটে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে আগামী ২০ বছরের পরিকল্পনা থাকবেঃ অর্থমন্ত্রী

এবারের বাজেটে কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল। তিনি জানান, এবারের বাজেটে আমরা কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেট তৈরি করেছি। এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে আমাদের আগামী ২০ বছরের পরিকল্পনা থাকবে। আগামী ২০ বছরে কীভাবে মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত, মানুষের দুয়ারে সেবা পৌঁছে দেওয়া ও এই খাতের উন্নয়ন করা যায় তার একটি করা যায়, কীভাবে সেই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়া যায়, কীভাবে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ঘটানো যায় তা নিয়ে আমরা পরিকল্পনা করেছি। সেই পরিকল্পনা থাকবে এবারের বাজেটে। তাই অতীতের যে কোনও সময়ের তুলনায় স্বাস্থ্য বিষয়ক শিক্ষায় গবেষণা বাড়ানোর জন্য বরাদ্দ রেখেছি অনেক বেশি।

এবারের বাজেটে কৃষিখাতকেও অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, কারণ এই খাত এবার কারোনাকালে সরকারকে তথা দেশের মানুষকে অকল্পনীয় সাপোর্ট দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে। তাই বর্তমান সরকার কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে।

আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল জানান, এজন্য এবারের বাজেটে এই কৃষি ও স্বাস্থ্যখাতে গবেষণা ও উন্নয়নে বরাদ্দ বাড়িয়েছি। কৃষিতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট হবে মানুষের জন্য। মানুষের কল্যাণে হবে সরকারের বাজেট। তাই মানুষের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়েই তৈরি করেছি এবারের বাজেট।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী যে যুদ্ধ চলছে সেই যুদ্ধে আমরা অবশ্যই জয়ী হবো। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়েই আমরা জয়ী হবো। যদিও সময়টি কঠিন, সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। তারপরেও বলবো, শত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই আমরা আমাদের বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারবো। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়েই আমরা সেই শত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবো। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা বর্তমান সরকারের জন্য অসম্ভব নয় বলেও জানান অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল।

২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেট নিয়ে জানতে চাইলে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে মন্ত্রী জানান, ‘একটি সরকারের বাজেট হবে সেই দেশের মানুষের জন্য। আমরা আমাদের সরকারের দেওয়া নতুন বাজেটে দেশের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রেখেছি। তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছি। কাল বাজেটে তা উপস্থাপন করা হবে।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, করোনাকালে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও মন্ত্রণালয়গুলোকে বরাদ্দ দিয়েছি। বরাদ্দের অর্থ কোথা থেকে আসবে তা নিয়ে কখনও ভাবিনি। বরাদ্দ দিতেও কার্পণ্য করিনি। কারণ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই হয়। তাই সরকারের কর্মকাণ্ডের উন্নয়নে মন্ত্রণালয়গুলোকেই বরাদ্দ দিতে হবে।

Facebook Comments

Related Articles