বাড়ছে মোবাইল খরচ ও সিগারেটের দাম

নতুন অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল ফোনের সেবার ওপর কর আরেক দফা বাড়িয়েছে সরকার। ফলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়তে যাচ্ছে। এবার এ খাতে সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা গত বছরও একই হারে বাড়ানো হয়েছিল।

‘অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’ শিরোনামে করোনাভাইরাসের সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে টিকে থাকা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা সামনে রেখে আওয়ামী লীগের তৃতীয় মেয়াদের দ্বিতীয় বছরে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য এ বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী।

প্রস্তাবিত বাজাটে কার ও জিপ নিবন্ধনে সম্পূরক শুল্ক ১০ ভাগ থেকে বাড়িয়ে ১৫ ভাগ করা হয়েছে। ফলে ব্যক্তিগত এসব যান ব্যবহারে খরচ বাড়বে। প্রসাধনী সামগ্রীর সম্পূরক শুল্ক ৫ ভাগ থেকে বাড়িয়ে ১০ ভাগ করায় দাম বাড়বে এসব পণ্যের। 

এছাড়া তামাকজাত পণ্যের দামও বাড়বে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের নিম্ন স্তরের দশ শলাকার দাম ৩৯ টাকা ও তার বেশি এবং সম্পূরক শুল্ক ৫৭ শতাংশ ধার্যের প্রস্তাব করা হয়েছে। মধ্যম স্তরের দশ শলাকার দাম ৬৩ টাকা ও তার বেশি, উচ্চ স্তরের দশ শলাকার দাম ৯৭ টাকা ও তার বেশি এবং অতি উচ্চ স্তরের দশ শলাকার দাম ১২৮ টাকা ও তার বেশি করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এ তিন স্তরের সিগারেটের সম্পূরক শুল্ক ৬৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া দাম বাড়ছে প্যাকেটজাত খাদ্য, আমদানি করা তরল ও গুঁড়া দুধ, বাদাম, ফল, মধু, জ্যাম, জেলি, আইসক্রিম, লবণ, কসমেটিকস, এলকোহল, সিগারেট ও চকলেটের।

ব্যাংক হিসাবে ১০ লাখ টাকার বেশি থাকলে আবগারি শুল্ক আড়াই হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার এবং ৫ কোটির বেশি হলে এই হার ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজে শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

Facebook Comments

Related Articles