স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রিপোর্ট পজিটিভ, মোবাইল বার্তায় নেগেটিভ

উপসর্গ নিয়ে পরিবারের পাঁচ সদস্য নমুনা টেস্ট করান। এর মধ্যে দুই জনের পজিটিভ ফলাফল আসে। এ অবস্থায় বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় একদিন পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে কোনো টেস্ট ছাড়াও ওই দুইজনের মোবাইলে করোনা নেগেটিভ এর বার্তায় আসে। এ নিয়ে ধুম্রজালের পাশপাশি বিপাকে পড়েছে তারা। এমন অবস্থা আরও এক বৃদ্ধার ক্ষেত্রে। এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহর নান্দাইলে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের ঘোষপালা গ্রামের স্বাস্থ্য সহকারি মো. আব্দুল আলীর পরিবারের সকলেরই করোনা নমুনা দেওয়া স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। আব্দুল আলী জানান, গত ১৪ জুন নমুনা দেওয়ার একদিন পর ১৬ জুন তাঁর ছেলে আবির (২৪) ও মেয়ে কলি (১৯) এর পজিটিভ ফলাফল আসে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। পরে তাঁদের জানানোর পাশাপাশি প্রশাসনের নির্দেশে দুইজনই আইসোলেশনে যায়। এ অবস্থায় ফের একদিন পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিজেদের মোবাইলে বার্তা আসে দুই জনেরই নেগেটিভ। এ ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে এক ধরণের ধুম্রজালে পড়েন তাঁরা।

এ ধরণের অপর এক ঘটনা ঘটেছে পৌরসভার চন্ডীপাশা মহলার অমল দাস (৬০) এর ক্ষেত্রে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্বাসকষ্টে ভুগতেছিলেন। এ অবস্থায় তাঁর পরিবার তাঁকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে ঢাকায় যান। কিন্তু করোনা টেস্ট ছাড়া কোনো হাসপাতালেই চিকিৎসা করাতে না পেরে ফিরে আসেন। অমল দাসের ভাতিজা সেখর চন্দ্র দাস বলেন, তাঁর চাচার এ অবস্থায় তিনি গত ১৪ তারিখ নান্দাইল হাসপাতালে নমুনা দেন। ১৬ জুন জানানো হয় ফলাফল পজিটিভ। এ সময় বাড়িতেই চাচাকে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা করানোর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার মোবাইল বার্তা আসে নেগেটিভ।

এ বিষয়ে জানতে নান্দাইল  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের কর্মকর্তা ডা. ইকবাল আহম্মেদ নাসের জানান, এই সব বার্তা ভুলবসত এসেছে। এ বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

Facebook Comments

Related Articles