‘ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে চুক্তি’র ব্যাখ্যা চেয়ে মহাপরিচালককে শোকজ

রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে—স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই চিঠির বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে শোকজ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতর কর্মকর্তা বলতে কী বোঝানো হয়েছে এবং রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের আগে কী কী বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে তা জানাতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল ও জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ারের (জেকেজি) প্রতারণা উদঘাটনের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নিয়ে নানান সংবাদের পর ব্যাখ্যা দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত ব্যাখ্যা দেয় অধিদপ্তর। এতে বলা হয় ‘মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্দেশিত হয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল বিভাগ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেয়। তবে ক্লিনিক দু’টি পরিদর্শনকালে চিকিৎসার পরিবেশ উপযুক্ত দেখতে পেলেও ক্লিনিক দু’টির লাইসেন্স নবায়ন ছিল না।

বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড রোগীদের চিকিৎসা সুবিধা সৃষ্টির মহতী উদ্দেশ্য নিয়ে অপরাপর বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও উৎসাহ দানের লক্ষ্যে লাইসেন্স নবায়নের শর্ত দিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের সাথে ২১ মার্চ ২০২০ তারিখে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পূর্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পরিচয় থাকা তো দূরের কথা টক শো ছাড়া আগে কখনও মো. শাহেদকে দেখেননি। তবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর বেশ ক’বার তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এসেছিলেন।’

গতকাল এই প্রেস বিজ্ঞপ্তির পূর্বে ডাঃ সাবরিনা আরিফ চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানায় তিনি মহাপরিচালককে জেকেজি’র প্রতারণার ব্যাপারে জানিয়েছিলেন। জেকেজি ও রিজেন্ট হাসপাতালের কেলেঙ্কারির পর তোপের মুখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিজ্ঞপ্তি দেয়। এবং এরই ধারাবাহিকতায় ডিজিকে শোকজ করা হয়।

Facebook Comments

Related Articles