অধিদপ্তরের যারা সহযোগিতা করেছে তাদেরও গ্রেপ্তারের দাবী সাবরিনার

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তদন্ত কর্মকর্তাদের সাবরিনা বলেছেন, করোনা পরীক্ষার ভুয়া সনদ তৈরি করতে তাকে ব্যবহার করা হয়েছে। সে এটা চায়নি। সে এখন ভুল বুঝতে পারছে।

তাকে যারা এ কাজে সহযোগিতা করেছে তারাও সমান অপরাধী; তাদেরও গ্রেফতার চান সাবরিনা।

জানা যায়, মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শাহ গোলাম নবী স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে ১০০টি মাস্ক ও ২০০টি গগলস চেয়ে চিঠি পাঠান। এই প্রতিষ্ঠানকে মাত্র ২৫টি মাস্ক ও ২৫টি গগলস দেওয়া হয়। একইভাবে রংপুর মেডিকেল কলেজের চাহিদাপত্রের বিপরীতে পিসিআর ল্যাবে কর্মরতদের জন্য দেওয়া হয় মাত্র ১০০ পিস মাস্ক ও ১০০ পিস পিপিই। অথচ একই দিনে জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী আরিফুল চৌধুরী ১২০০ পিপিই, ১২০০ গগলস, ১২০০ জুতার কাভার, ৩ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক ও ৩ হাজার সার্জিক্যাল গ্লাভস চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরে চিঠি লেখেন।

জেকেজির চাহিদার পুরোটাই পূরণ করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। গত মার্চ ও এপ্রিলের দিকে যখন সরকারি সুরক্ষাসামগ্রীর চরম সংকট চলছিল, তখন চাহিদাপত্র দিয়েও অনেক কভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল প্রয়োজন অনুযায়ী সুরক্ষাসামগ্রী পায়নি। তবে সাবরিনা-আরিফের জেকেজি চাহিদাপত্র দেওয়ামাত্র শত শত সুরক্ষাসামগ্রী পৌঁছে যেত। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও গোয়েন্দা তদন্তে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও গোয়েন্দা তদন্তে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য দিয়ে বলেছে, লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠান জেকেজিকে নমুনা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া এবং সনদ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে জেকেজি ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের ১০ জনের একটি সিন্ডিকেট। তাদের মধ্যে চারজন গ্রেফতার হয়েছেন। বাকিরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

Facebook Comments

Related Articles