অপেক্ষা বাড়ল জুভেন্টাসের

টানা নবম শিরোপা জয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে উদিনেসের মাঠে নেমেছিল জুভরা। সমীকরণ অনুযায়ী উদিনেসের মাঠে জিতলেই টানা নবম লিগ শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যেত তাদের। কিন্তু প্রতিপক্ষের কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়ার কারণে অপেক্ষা বেড়েছে জুভ সমর্থকদের।

তবে দলটি যে এতে খুব একটা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে তাও নয়। লিগে বাকি ৩ টি ম্যাচের একটিতে জিতলেই শিরোপা জয়ের উৎসবে মেতে উঠবে তারা। জুভদের পরবর্তী ম্যাচ তাদের নিজেদের মাঠে। সাম্পদোরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।

কিছু কিছু বিষয় ভাবিয়ে তুলছে জুভ সমর্থকদের। রেকর্ড অনুযায়ী, পরশুর হার সহ লিগের সর্বশেষ ৫ ম্যাচে জয় ১, হার ২ এবং ড্র ২। যা মোটেও কোন বড় দলের জন্য সুখকর নয়।

করোনা বিরতির আগেও শিরোপা জয়ের দৌড়ে ছিল জুভেন্টাসের প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল। তবে বিরতির পর নিজেদের হারিয়ে খুজছে তারা। একারণেই নিজেদের এমন ফর্ম ও বিপদে ফেলছে না জুভদের। ইন্টার তাদের সর্বশেষ ৬ ম্যাচের মাত্র ২টিতে জিতেছে। আর লাৎসিও পরশু ক্যালিয়ারির বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতে যোগ করেছে পয়েন্ট। তবে সর্বশেষ ১৫ পয়েন্টের মধ্যে পেয়েছে মাত্র একটি।

করোনার কারণে মাঠে দর্শক উপস্থিতি কম। এর মধ্যেও প্রায় প্রাণহীন ফুটবল খেলেছে জুভেন্টাস। ম্যাচের ৪২ মিনিটে বক্সের বাহিরে থেকে ম্যাটাইটাস ডি লিখটের নেয়া শটে এগিয়ে যায় জুভরা। কিন্তু ৫২ মিনিটে নেস্তোরোভস্কির চোখ ধাধানো ডাইভিং হেড আর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সেকো ফোফানার দারুণ একক প্রচেষ্টার ফলে জিতে গেল উদিনেসে। এই জয়ে তাদের পয়েন্ট হয়েছে ৩৯। আর এই জয়ের সুবাদেই পয়েন্ট তালিকার ১৫ তে উঠে এসেছে দলটি। এছাড়াও করোনা বিরতির পর দারুন খেলে পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে উঠে এসেছে আতালান্তা। তাদের পয়েন্ট ৭৪।

এদিকে জুভদের এমন পরিস্থিতির জন্য তাদের কোচ মরিসিও সারি দায়ী করেছেন খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি। এবং এর পিছনে রয়েছে বর্তমান বিশ্বের অবস্থা। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন মৌসুমটা বেশ কঠিন তাদের জন্য। এই দুর্যোগের মধ্যেও খেলোয়াড়দের ৯০ মিনিট মনোবল ধরে রাখা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।

খেলোয়াড়দের ক্লান্তির আরেকটি প্রমাণ পাওয়া যাবে অন্য একটি পরিসংখ্যানের মধ্য দিয়ে। এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩৮ গোল খেয়েছে দলটি যা গত ১০ মৌসুমে সর্বোচ্চ। তবে কোচ সারি এর জন্য দায়ী করেছেন অন্য কিছুকেই। তার ভাষ্যমতে তাদের বিরুদ্ধে যে ১২টি পেনাল্টি দেয়া হয়েছে তা বিশ্বের যেকনো বড় দলের বিপক্ষে বিরল।

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো

Facebook Comments

Related Articles