বিসিএস প্রস্তুতি: করোনা ভাইরাস – ১ম পর্ব

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

গঠনগতভাবে করােনাভাইরাস একটা বিশাল আরএনএ (RNA) ভাইরাসের পরিবার। “করােনা” শব্দটির আক্ষরিক অর্থ মুকুট। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের তলায় এ পরিবারের ভাইরাসকে অনেকটা রাজার মাথার মুকুটের মত দেখায় বিধায় এর নামকরণ করা হয় “করােনাভাইরাস” । অপরাপর সকল ভাইরাসের মতাে এরাও জীবনধারণ ও বংশবৃদ্ধির জন্য কোনো না কোনাে একটা প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষের ওপর নির্ভরশীল থাকে। অত্যন্ত সহজ ভাষায় বলা যায় যে, নতুন আবিষ্কৃত বা নভেল করােনাভাইরাসের সংস্পর্শে মানুষের দেহে যে ছোঁয়াচে রােগ সৃষ্টি হয়, সেই রােগের নাম নভেল কোভিড-১৯ (Novel Covid19) বা নতুন করােনাভাইরাস ডিসিজ (Coronavirus disease)।

উপরোক্ত ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করতে চোখ রাখুন এই গ্রুপে- ৪২ তম (স্পেশাল বিসিএস) প্রস্তুতি, দিকনির্দেশনা এবং আপডেট 

২০১৯-এর ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশে  উহান শহরে সর্বপ্রথম এই রােগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ভাইরাস সংক্রমণ সব

বয়েসের মানুষের মধ্যে হলেও যাদের রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা অপেক্ষাকৃত কম এবং যারা বয়স্ক, তারা এই রােগে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। করােনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস  যা ২০১৯ সালের আগে কখনাে মানুষের মধ্যে  ছড়ায়নি। বর্তমানে এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী প্রাণহানি ঘটিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের  সংখ্যা ক্রমাগতই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি বা নভেল করােনাভাইরাস। এটিও এক ধরণের করোনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে ৭ টি।

 

২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স (সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামের ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ৮০৯৮ জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করােনাভাইরাস। নতুন এই রােগটিকে প্রথমদিকে নানা নামে ডাকা হচ্ছিল, যেমন: ‘চায়না ভাইরাস, করােনা ভাইরাস ২০১৯ এনকভ, নতুন ভাইরাস, রহস্য ভাইরাস ইত্যাদি। ২০২০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রােগটির আনুষ্ঠানিক নাম দেয় “কোভিভ-১৯” যা করােনাভাইরাস ডিজিজ

২০১৯’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। করােনাভাইরাস বা SARS-CoV-19 মানুষের তৈরি ভাইরাস নয়

বরং বাদুড় বা সাপ থেকে মানুষের মধ্যে প্রাকৃতিক বিবর্তনের ফলে সৃষ্ট একটি ছোঁয়াচে ভাইরাস। এই ভাইরাসের কারণে সর্বপ্রথম ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে নিউমােনিয়ার প্রাদুর্ভাব ঘটে। প্রাথমিকভাবে উহানের ইয়ানান সামুদ্রিক খাবারের পাইকারী মার্কেটের পত থেকে সংক্রমণের প্রাথমিক উৎস স্থান বলে অনেকেই মনে করেন, কারণ ৪১ জন নিউমােনিয়া রােগীর মধ্যে ২৭ জনের ক্ষেত্রে এই

খুচরা ক্রেতা ও বিক্রেতা বাজারের সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।

 

২০১৯ সালের ১২ই ডিসেম্বর থেকে করােনাভাইরাসের মহামারী শুরু হয় যা ৭ই জানুয়ারী ২০২০-এ অস্থায়ীভাবে nCOV-2019 নামকরন করা হয়। এই বৃহত্তর বৈশ্বিক মহামারীর

প্রতিক্রিয়ায় চীন এবং বিশ্বের প্রায় সকল দেশই ভ্রমণ সীমাবদ্ধতা, পৃথকীকরণ এবং কারফিউ শুরু করে। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২৩শে জানুয়ারী ২০২০ এটিকে জনস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি অবস্থা বলে ঘােষণা করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এই মহামারীকে ‘সন্ত্রাসবাদী আক্রমণের চেয়েও বেশি শক্তিশালী বলে আখ্যায়িত করে। অবশেষে, ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২০, WHO একে “COVID -19 নামকরণ করে এবং একই দিনে ইন্টারন্যাশনাল কমিটি ইন টেক্সোনমি অব ভাইরাস এর করােনাভাইরাস স্টাডি গ্রুপ (CDG) এর নামকরণ করে “SARS-Cov-2″।

 

প্রাদুর্ভাবের শুরুথেকে ২০২০ সালের ২রা জুন পর্যন্ত, এই ভাইরাস মােট ২০৮ টি দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং ২টি প্রমােদ তরীতেও আক্রমন করে। প্রমােদ তরীর একটি ডায়মন্ড প্রিন্সেস” জাপানের ইয়ােকোহামায় এবং অপরটি হংকং- এ আশ্রয় নিয়েছে।

 

করোনাভাইরাস’ এর নামকরণ করা হয় ল্যাটিন ভাষা ‘করােনা থেকে এবং শব্দটি ধার করা হয় গ্রীক ভাষা থেকে, যার অর্থ মুকুট বা হার। ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপে এই ভাইরাসগুলি সৌর-মুকুটের (যা সৌর-গ্রহণে দেখা যায়) মতাে দেখায় এবং এদের বাইরের স্তরে গ্লাইকোপ্রােটিনের স্পাইক দেখা যায়। এই ভাইরাসগুলি স্তন্যপায়ী প্রাণী ও পাখিদের মধ্যে অসুখের সৃষ্টি করে। করােনাভাইরাস’ এর পূর্ব-পুরুষ নতুন নয়, যা খ্রিস্টপূর্ব ৮০০০ সালে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। আগে এটি প্রাণীতে রােগ ছড়াতাে। সময়ের বিবর্তনে প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পরে। এই ভাইরাসজনিত রােগগুলি জোনােটিক (Zoonotic) রােগ হিসাবে পরিচিত। সাধারণত উষ্ণ রক্তযুক্ত উড়ন্ত মেরুদন্ডী প্রাণীগুলাে করােনাভাইরাসের জন্য আদর্শ হােস্ট বা বাহন, যেমন, বাদুড়, গবাদি পশু, বনরুই, খাটাস, উট, মুরগী, সাপ, বিড়াল, ফেরি, কৌটা, ইঁদুর, কর্কিন, তুরস্ক, খরগােশ ইত্যাদি। এটির কারণে গরু ও শুকরের ডায়রিয়া হয় এবং মুরগির হয় শ্বাসনালীর সংক্রমণ।

 

১৯৬০ দশকের মাঝামাঝি সময়ে মানব করােনা ভাইরাসগুলি প্রথম শনাক্ত হয়। এর ছয়টি

(229E, NL63, OC43, HKUI, MERS-CoV ,  SARS-CoV) আক্রান্তকারী হিসেবে পরিচিত ছিল; SARS-Cov-2 হল সপ্তম ভাইরাস। ২০০২ সাল পর্যন্ত এটি একটি হালকা রােগের ভাইরাস হিসাবে পরিচিত ছিল যা শীতকালে সর্বাধিকসহ সারা বছর কেবল সাধারণ সর্দিতেই সীমাবদ্ধ থাকে। ২০০২ সালে চীনে সর্বপ্রথম করােনাভাইরাসের প্রথম মারাত্মক প্রাদুর্ভাব দেখা যায় এবং শ্বাসকষ্টজনিত রােগ SARS এর দ্বারা ৮,০৯৮ জন মানুষ অসুস্থ হয়ে ৭৭৪ জন মারা গিয়েছিল এবং মৃত্যুর হার প্রায় ১০ শতাংশ ছিল। শাড়শ এর প্রকোপ তখন এশিয়াসহ মােট ২৬ টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।

 

এটি বিশ্বাস করা হয় যে SARS এর ভাইরাসটি বাদুড় বা সাপ থেকে পরিবর্তিত হয়ে মধ্যবর্তী হােস্ট হিসাবে বনরুই এর মধ্যে প্রবেশ করে এবং পরে মানুষকে সংক্রামিত করে। ২০১২সালের সেপ্টেম্বরে, দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল মিডেল ইষ্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম (MERS) এর মাধ্যমে যা প্রথম সৌদি আরব থেকে শুরু হয়েছিল। এতে ২,৪৯৪ জন আক্রান্ত হয় এবং ৮৫৮ জন মৃত্যুবরন করেন (৩০ নভেম্বর, ২০১৯ পর্যন্ত); মৃত্যুর হার ছিল ৩৪.৫% এবং এটি ২৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। মনে করা হয় যে, ভাইরাসটি বাদুড় থেকে বিবর্তিত হয়ে অন্তরবর্তী হােস্ট হিসাবে উটে প্রবেশ করে এবং এরপর মানব বাহকে প্রবেশ করে সংক্রমন ঘটায়।

 

SARS-CoV-19 মানব সৃষ্ট ভাইরাস নয় বরং এটি প্রাকৃতিকগতভাবে বিকশিত হয়। ২০২০

সালের প্রথম দিকের গবেষণায় জানা যায় ভাইরাসটির বিবর্তনীয় ইতিহাস এবং অন্যান্য

জীবের সাথে এর সম্পর্ক। প্রাদুর্ভাবের প্রাথমিক পর্যায়ে আক্রান্ত বিভিন্ন নিউমােনিয়া রােগীর

নমুনা থেকে ভাইরাসগুলােকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। এই জোনােটিক গবেষণাগুলাে বিভিন্ন

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। গবেষণায় দেখা যায় যে, ভাইরাসের

সিকোয়েন্সগুলি প্রায় একই রকম এবং ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ SARS-CoV এর সাদৃশ্য এবং

বাদুড়ের করােনা ভাইরাসগুলির সাথে এদের অনেক বেশী মিল রয়েছে।

 

SARS-CoV-19 ভাইরাসটি করােনাভিরিডি পরিবারের বিটা-করােনাভাইরাসের উপগােষ্ঠী

থেকে বৃহত্তম আরএনএ ভাইরাস হিসাবে পাওয়া যায়। ভিতর থেকে বাহিরে, এটিতে একটি

পজিটিভ সেন্স সিঙ্গেল স্ট্যান্ডার্ড আরএনএ জিনােম রয়েছে যা একটি প্রােটিন কোট (ক্যাপসিড) দ্বারা আবদ্ধ এবং গ্লাইকোপ্রােটিন স্পাইকটি (খাম) এর বাইরের আবরণ। বাদুড়ের করােনা ভাইরাসগুলির সাথে ৯৬ শতাংশ সাদৃশ্য, তাই অনেকের মতে, এই SARS-CoV-19 বাদুড় থেকে উদ্ভূত হয়েছে, তবে মধ্যবর্তী হােস্ট কে- তা এখনও নিশ্চিত নয়। কারাে-কারাের মতে, ভাইরাসটির বাহক সাপ বা বাদুড় তথা উভয় Corona virus এর বাহক। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ চীন এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা ঘােষণা করেন যে- প্যানগােলিনে পাওয়া ভাইরাস এবং মানব রােগীদের মধ্যে যে জিনােম সিকোয়েন্স রয়েছে তার মধ্যে ৯৯ শতাংশ মিল রয়েছে এবং তা এই ভাইরাসের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রাণী হোস্ট হতে পারে। এর স্বপক্ষে প্রাথমিক উৎস হিসাবে উহানের হুয়ানান সীফুড মার্কেটকে চিহ্নিত করা হয় যেখানে মাছ এবং অন্যান্য জীবজন্ত বিক্রয়ের মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়ায়। ভাইরাসের ট্রপিজম তথা এটির কোষ, টিস্যু, অঙ্গ এবং নির্দিষ্ট প্রজাতি কেবল মানুষকেই সংক্রমিত করে এবং পাখি বা প্রাণী ভাইরাসগুলি কেবল পাখি বা প্রাণীকে সংক্রামিত করতে সক্ষম হয়। হােস্টের কোষগুলিতে ভাইরাসের প্রবেশ ও সংক্রমণ শুরু করে এমন উভয় ভাইরাস এবং হোস্ট কোষের পৃষ্ঠের উপর উপস্থিত রিসেপ্টরগণের দ্বারা আবৃত থাকে।

 

ভাইরাসগুলির সংখ্যাবৃদ্ধির জন্য জীবন্ত কোষের প্রয়োজন। ভাইরাসটি জীবন্ত কোষে বহুগুণ বেড়ে গেলে হাজার-হাজার অভিন্ন উচ্চতর হারে বংশ বৃদ্ধি পায়। একটি ভাইরাস কথা প্রতিলিপি মাত্র একটি চক্র লক্ষ-লক্ষ বংশী ভাইরাস উৎপাদন রতে সক্ষম। ডিএনএ ভাইরাসের চেয়ে আরএনএ ভাইরাসগুলিতে মিউটেশন বেশি দেখা যায়, কারণ আরএনএ পলিমারেজ যা ভাইরাল জিনােম সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় একটি ভাইরাল এনজাইম, ডিএনএ পলিমারেজের মতাে কোনােও প্রফেস রিডিং কার্যক্রম নেই। ভাইরাসগুলি বেশ কয়েকটি প্রক্রিয়া দ্বারা জিনগত পরিবর্তন হয়ঃ অ্যান্টিজেনিক ড্রিফট ও অ্যান্টিজেনিক শিফটে।  বেশিরভাগ পয়েন্ট মিউটেশনগুলি ‘নীরব’ এবং বংশােদ্ভূত ভাইরাসগুলিতে কোনাে সুস্পষ্ট পরিবর্তন ঘটায় না। কখনও-কখনও মিউটেশনগুলি ভাইরাসের অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ বা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা হ্রাস করে এবং ডায়াগনস্টিক ব্যর্থতা নিশ্চিত করে।

 

সাধারণত SARS-Cov-19 এর সংক্রমণ মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত যোগাযােগের মাধ্যমে ঘটে। কদাচিৎ অ্যাসিম্পটোটোমেটিক ব্যক্তি (নিরব বাহক) অন্যদের মধ্যেও এর সংক্রমণ করে থাকে। একটি ইনকিউবেশন পিরিয়ড’ যার অর্থ ভাইরাস প্রবেশ ৰা আক্রমন এবং রােগের উপস্থিতি বা লক্ষণ দেখা দেয়ার মধ্যবর্তী সময়টি ৫-১৪ দিন বলে মনে করা হয় । জ্বর, গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি এবং শ্বাসকষ্টসহ লক্ষণগুলির বিকাশ ঘটাতে পারে। এটি নিউমােনিয়া, তীব্র শ্বাসকষ্ট সংকটজনিত লক্ষণে রােগিকে মৃত্যুর পথে ধাবিত করতে পারে। করােনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য চীন, হংকং, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার মতাে বিভিন্ন উন্নত দেশ নিরন্তন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

রােগীর চিকিৎসা সাধারণত লক্ষণগত হয়, রােগের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে এর ঔষধ, অক্সিজেন থেরাপি এবং ইন্ট্রা-ৰায়ু চলাচলের (Ventilation) মাধ্যমে শ্বাসনালী তরল এবং রােগীকে শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তা করা হয়। ২০২০ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি, C-19 এর চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ ফ্যাভিলাভির (পূর্বে কাপিনাভির) চীনা জাতীয় মেডিকেল পণ্য প্রশাসন কর্তৃক অনুমােদিত হয়। C-19 এর প্রতিরােধ ব্যবস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত এবং পরামর্শ প্রদত্ত । এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন দ্বারা হাসপাতালে চিকিৎসা এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা- যেমন নিয়মিত হাত ধুয়ার স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলন করতে হবে।

তথ্যসূত্র – সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক, এই সময়

Facebook Comments

Related Articles