স্বাস্থ্যঝুঁকিতে প্রফ নয় সহ চার দাবি আদায়ে আন্দোলনে মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীরা

তারিখঃ ০১.১১.২০২০

করোনা মহামারীর কারনে সারাপৃথিবীর শিক্ষার্থীদের মতো বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও ৭মাস ধরে শিক্ষাপ্রষ্ঠান থেকে দূরে। শিক্ষার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষাদান কর্মসূচী দেওয়া হলেও তা শতভাগ সবার কাছে পৌছায় নি।

শিক্ষার্থীদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে জি এস সি এবং এইচ এস সি র মতো বিশাল পাব্লিক পরীক্ষা গুলোর পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হয় অটোপ্রমোশন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও যাতে সেশনজট না হয় তার জন্য নামে মাত্র অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পরবর্তী সেমিস্টারের ক্লাস শুরু করা হচ্ছে। তারমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন এই বছর শিক্ষার্থীদের অটোপ্রমোশন দেওয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।

যেইখানে সবক্ষেত্রে দেওয়া হচ্ছে অটোপ্রমোশন সেইখানে মেডিকেল সেক্টরেই দেখা যাচ্ছে এক অমানবিক ভিন্নরূপ। পিছিয়ে যাওয়া প্রফেশনাল পরীক্ষা ডিসেম্বরে হতে পারে বলে বেশি কিছুদিন যাবৎ বেশ কয়েকটি মেডিকেল কলেজ থেকে দেওয়া হয় নোটিশ। তারই প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের মনে হানা দেয় এক আতঙ্ক। তারা বেশ কয়েকবার বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে যাওয়া এবং মানববন্ধন সহো বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার পরও তেমন সুনির্দিষ্ট উত্তর পাই নি শিক্ষার্থীরা। বরংচ বিভিন্ন মেডিকেলের নোটিশ দেওয়ার সংখ্যাও বেড়েছে।

এমতাবস্থায় আজ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১.৩০ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি নিয়ে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচী করেন। তাদের চারটি দাবি হলো,

*স্বাস্থ্যঝুকি নিয়ে প্রফ নয়

*সেশনজট এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেও যেন কর্তৃপক্ষ অবশ্যই নেয়।

* প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ ৬০মাসের বেশি টিউশন ফি যেন না আদায় করে।

* পরীক্ষাকালিন সময়ে করোনায় আক্রান্ত হলে অবশ্যই বিকল্প পদ্ধতিতে যাতে আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

এছাড়া চলমান ফাইনাল প্রফের সাপ্লি পরীক্ষায় সবাইকে বন্ড সাইনে সই করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। যেখানে কেউ আক্রান্ত হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না এবং শিক্ষার্থী নিজ দ্বায়িত্বে পরীক্ষা থেকে নিজেকে বিরত রাখবে। যেইখানে বিকল্প কোন পরীক্ষার আয়োজন কর্তৃপক্ষ করে নি। এই অমানবিক সিদ্ধান্তের কারনে অনেকেই ৬মাস পিছিয়ে গেছে। যা প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীদের জন্য হতাশা জনক। তাই বন্ড সই করে যাতে পরীক্ষা না দিতে হয় এবং আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য যেন বিকল্প পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাবস্থা করে সে বিষয় ও অনেকে তুলে ধরেন।

সিজান শেখ

নিজস্ব প্রতিবেদক

এই সময়

Facebook Comments

Related Articles